
মঙ্গলবার সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (প্রশাসন) আবুল বাশার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে বিশ্বব্যাপী মাদক সমস্যার ভয়াবহতা ক্রমশ প্রকট রূপ ধারণ করছে।
বাংলাদেশেও মাদক প্রবণতা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশের কারাগারসমূহও এই ক্ষতিকর প্রভাবের বাইরে নয়। এমন প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ কারা অধিদপ্তর সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন এবং মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সমন্বয়ে মাদক নির্মূলে বিশেষ কার্যক্রম গ্রহণ করেছে।
এতে আরও বলা হয়, কারাগারে আগত দর্শনার্থী, বন্দি এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিশেষ তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
একই সঙ্গে মাদকবিরোধী সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নিয়মিত কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে। কারা অধিদপ্তর নিজস্ব ডোপ টেস্টের মাধ্যমে সন্দেহভাজন কারাবন্দি বা কর্মচারীদের ডোপ টেস্টের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সম্ভাব্য মাদকসেবীদের চিহ্নিত করে তাদের অধিকতর নজরদারি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থার আওতায় আনার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘রাখিব নিরাপদ দেখাব আলোর পথ’ মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে কারাগারসমূহে আগত সমাজের বিপথগামী লোকদের নানাবিধ কার্যক্রমের মাধ্যমে সংশোধন করা এবং বর্তমান যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সঠিক প্রশিক্ষণ প্রদান করে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে সমাজে পুনর্বাসন করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ জেল নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।