নিজস্ব প্রতিবেদন :
সীতাকুন্ডের নিম্ন মধ্যবর্তী জন সাধারণের চিকিৎসার একমাত্র স্থান হলো সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। সেই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এখন মানুষের জন্য হয়ে উঠেছে একমাত্র হুমকির কারণ। যেখানে প্রতিনিয়ত নানা ধরনের অনিয়ম দুর্নীতি এবং ডাক্তার নার্সদের দায়িত্ব অবহেলার বিভিন্ন ঘটনা শুনতে পাওয়া যায়। কেউ রোগী নিয়ে গেলে রোগীর ভালোভাবে সেবা তো করেই না বরং রোগী এবং তার পরিবারের লোকদেরকে ভয় ভীতি দেখিয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয় নানান ধরনের বেসরকারি হাসপাতাল গুলোতে। সামান্য কিছু কমিশনের আশায়।যদিও কিছু রোগীকে লোক দেখানো সেবা দেয় সেই ক্ষেত্রে প্রাথমিক চিকিৎসার সরকারি সরঞ্জাম মজুদ রেখেও তারা রোগীদের দিয়ে বাহির থেকে এগুলো কিনে আনতে বলে।
এরই ধারাবাহিকতায় ভুক্তভোগী মোঃ শামীম আমাদের জানান, গত ১৯শে আগষ্ট হঠাৎ আমার ওয়াইফের ডেলিভারি পেইন উঠে আমি সাথে সাথে সরকারি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে যায়। ওখানকার একজন সাধারন নার্স দেখে আমাকে বলে দেয় আমার ওয়াইফ কে নাকি সিজার করাতে হবে এবং আমার বাচ্চাটি এখনো পর্যন্ত পরিপক্ক হয়নি। সে ক্ষেত্রে আমাদের এখানে আমরা কিছু করতে পারবো না আপনারা চিটাগাং মেডিকেলে নিয়ে যান। নার্সের এমন কথা শুনে আমি খুব বেশি ঘাবড়ে যাই কি করতে হবে ঠিক কিছু বুঝতে পারছিলাম না। এ অবস্থায় এলাকার একজন ফার্মাসীসকে ফোন দিয়ে পরামর্শ নিলাম ।উনি আমাকে বলেন ওনার পরিচিত এক বেসরকারি হাসপাতালে যেতে। মহান আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামীনের অশেষ মেহেরবানীতে পার্শ্ববর্তী একটি বেসরকারি হাসপাতালে আমি আমার ওয়াইফকে নিয়ে যাই এবং সেখানে তার নরমাল ডেলিভারি হয় এখন আমার ওয়াইফ এবং আমার সন্তান দুজনেই ভালো আছে। এরকম ঘটনায় আমি খুবই হতাশ আমাদের মত সাধারণ মানুষ যদি সরকারি স্বাস্থ্যসেবা থেকে যদি বঞ্চিত হয় তাহলে আমরা আর কোথায় যাব। আপনাদের কাছে আমার একটাই প্রশ্ন আমরা কি বিনা চিকিৎসা মারা যাব?