ঢাকামঙ্গলবার , ২ ডিসেম্বর ২০২৫
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. চাকরি
  7. জাতীয়
  8. জাতীয়
  9. ধর্ম
  10. নির্বাচন
  11. প্রবাস
  12. ফটো গ্যালারি 
  13. বাংলাদেশ
  14. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  15. বিনোদন
আজকের সর্বশেষ খবর

সীতাকুণ্ডে কালভার্ট ভাঙচুর নিয়ে থানায় অভিযোগ: অভিযোগে নাম আসায় বিব্রত প্রতিবেশী, দাবী-আমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত 

নিজস্ব প্রতিবেদন
ডিসেম্বর ২, ২০২৫ ৬:৫৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক;

চট্টগ্রাম সীতাকুণ্ডে বাড়বকুণ্ডের ৫নং ওয়ার্ডের মধ্যম মাহমুদাবাদ ভৌমিক পাড়া এলাকায় বাড়ি যাতায়াতের কালভার্ট রাতের অন্ধকারে ভেঙ্গে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।২৯শে নভেম্বর শনিবার রাতের অন্ধকারে হেলমেট পরিহিত কিছু দুর্বৃত্তরা এই ঘটনা ঘটায়।

 

সুন্দর রানী ভট্টাচার্য বলেন, আমার স্বামী সন্তান কেউ নেই। আমি দীর্ঘ ৩৫ বছর এখানে বসবাস করি মূলত জায়গাটি আমার বাবার তার উত্তরাধিকার সূত্রে আমি এখানে বসবাসরত অবস্থায় আছি। গত ২০১৬ সালে আমার প্রতিবেশীর সাথে আমার জায়গা সংক্রান্ত একটি সমস্যা হয় এবং সেটি তখন সমাধান হয়। আমার বাড়ি থেকে বের হওয়ার মত কোন রাস্তা নাই আমি এত বছর যাবত আমার প্রতিবেশীর জায়গার উপর দিয়ে চলাচল করছি। তাই আমি আমার বাড়ির থেকে বের হওয়ার জন্য একটি কালভার্ট তৈরি করার ‌সিদ্ধান্ত নিলাম। যখন আমি কালভার্ট এর কাজ করি তখন আমার প্রতিবেশী সাধন চন্দ্র দে বলে এই মুহূর্তে এখানে কাজ করা যাবে না কেননা এখানে আমার জায়গা রয়েছে এই বলে তিনি কাজ করতে বাঁধা প্রদান করেন। তখন আমি এলাকার কিছু গণ্যমান্য মানুষের সাথে এ বিষয়ে কথা বলি তারা এ বিষয়টি সাধন চন্দ্র দের ছোট ছেলে কুয়েত প্রবাসী পুজন চন্দ্র দের সাথে কথা বলে এরপর আমি এই কালভার্ট নির্মাণ করি। নির্মাণের প্রায় এক সপ্তাহ পর শনিবার গভীর রাতে হেলমেট পরিহিত কিছু দুর্বৃত্তরা এসে এই কালভার্ট টা ভেঙে চলে যায়। এর ফলে পুরা এলাকাবাসী আতঙ্কিত। যেহেতু পূর্বে সাধন চন্দ্র দের সাথে এবং ওর দুই ছেলের সাথে আমার জায়গা সংক্রান্ত বিবাদ ছিল তাই আমি সন্দেহ তীত ভাবে থানায় একটি অভিযোগ করি। আমি চাই এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের সাব্যস্ত করে আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক এবং আমার এই কালভার্টটি যেন আমাকে পূর্বের ন্যায় তৈরি করে দেওয়া হোক।

 

এই ঘটনায় এলাকায় একটি চাঞ্চল্যকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। সাধন চন্দ্র দের স্ত্রী রুনো দে বলেন, এ ঘটনায় আমরা খুবই দুঃখ প্রকাশ করছি। এবং সেই সাথে আমার স্বামী এবং দুই সন্তানের উপর যে অভিযোগ এসেছে তার তীব্র নিন্দা জানাই। এই কালভার্ট ভাঙার সাথে আমাদের কোন প্রকার হাত নেই। আমার দুই সন্তান পুজন চন্দ্র দে এবং পনক চন্দ্র দে তারা দুইজন কুয়েত প্রবাসী এবং আমার স্বামী সাধন চন্দ্র দে একেবারে বৃদ্ধ । তিনি ঠিকমত হাঁটাচলা করতে পারেন না। তার পক্ষে এ কাজটি করা কোনভাবে সম্ভব নয়। এখানে তৃতীয় পক্ষের ইন্দনে সুন্দর রানী ভট্টাচার্য আমাদের নামে এই অভিযোগ তুলেছে। আমাদেরকে অসম্মানিত করার জন্য বা আমাদের থেকে কিছু টাকা হাতিয়ে নেওয়ার জন্য।

 

সাধন চন্দ্র দে বলেন, তাদের সাথে আজ থেকে কয়েক বছর আগে আমাদের সাথে জমি জমা নিয়ে একটি বিরোধ হয় তা অনেক আগে একটি সামাজিক বৈঠকের মাধ্যমে সমাধান হয় এরপর থেকে আমরা মিলেমিশে আছি এবং সুন্দর রানী ভট্টাচার্য সব সময় আমার জায়গার উপর দিয়ে যাতায়াত করত তার সাথে আমার কোন প্রকার ব্যক্তিগত শত্রুতা নেই। এরপরও সে একটি কালভার্ট যখন নির্মাণ করে তখন আমি তাকে বলি তুমি কাজটা আপাতত বন্ধ করো কেননা এখানে আমার কিছু জায়গা রয়েছে। আমরা উভয় পক্ষ একসাথে বসে এটা সমাধান করার পর তুমি এই কাজটা করিও। তারপর সে এলাকাবাসীর সাথে বুঝে এবং আমার ছেলেদের সাথে যোগাযোগ করে এরপর সে কালভার্টটি নির্মাণ করে। নির্মাণের প্রায় এক সপ্তাহ পর তৃতীয় একপক্ষ এটার সুবিধা নেওয়ার জন্য রাতের অন্ধকারে কালভার্টটি ভেঙে ফেলে। এবং তাদেরকে আমাদের প্রতি উস্কিয়ে দেয় এরপর সে থানায় অভিযোগ করে। তবে আমি বা আমার প্রবাসী দুই ছেলে আমরা কেউ এরকম জঘন্য কাজের সাথে জড়িত নই। আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। সুন্দর রানী ভট্টাচার্য তৃতীয় পক্ষের কারণে আমাদের উপর এ অভিযোগ নিয়ে আসে আমাদেরকে ফাঁসানোর জন্য। যাতে করে আমাদের সম্মান হেনস্তা করতে পারে এবং আমাদের থেকে কিছু টাকা আত্মসাৎ করার করতে পারে।

Visited ১৩ times, ১ visit(s) today

এই ওয়েবসাইটের সকল কোনো লেখা, ছবি, অডিও বা ভিডিও  কতৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত কপি করা দন্ডনীয়। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করলে কতৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার রাখে।